কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৭ এ ১১:৫৩ AM
কন্টেন্ট: পাতা
ক)উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের মাধ্যমে নীতিমালানুযায়ী যোগ্য ছাত্রীদের উপবৃত্তি, পাঠ্যপুস্তক ক্রয় এবং ফরম ফিলাপ বাবদ অর্থ প্রদান করা হয়। এখাতে বরাদ্দকৃত অর্থ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকল্প পরিচাল বরাবর ছাড় করা হয়। প্রকল্প পরিচালক নির্ধারিত ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অর্থ ছাড় করেন। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট শাখা কার্যালয়ে অর্থ ছাড় করা হয়। অতঃপর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার,ব্যাংক ম্যানেজার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের সমন্বেয়ে উপবৃত্তি বিতরণের সময়সূচি ও ব্যাংক বুথ নির্ধারণ করা হয়। উপবৃত্তি বিতরণ দিবসে যোগ্য ছাত্রী ব্যাংক বুথে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে চেকের মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার/ তাঁর প্রতিনিধি,ব্যাংক ব্যবস্থাপক/তাঁর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপস্থিতিতে চেকের মাধ্যমে উপবৃত্তি,পাঠ্যপুস্তক ক্রয় ও ফরম ফিলাপ বাবদ অর্থ গ্রহণ করে থাকে। যোগ্য ছাত্রীদের বিপরীতে টিউশন ফি প্রদান করা হয়। টিউশন ফি প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করেন।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নির্ধারিত ব্যাংক ম্যানেজার বরাবর টিউশন ফি উত্তোলনের অনুমতি প্রেরণ করেন। অতঃপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ব্যাংক শাখা থেকে টিউশন ফি উত্তোলন করেন।
খ)বিদ্যালয় পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী এবং মাদ্রাসা পর্যায়ে ইবতেদায়ী প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্য পুস্তক বিতরণ করা হয়।শিক্ষা মন্ত্রণালয়,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং এনসিটিবি’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক সরাসরি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা হয়। ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হয়। প্রতি শিক্ষাবর্ষের ১লা জানুয়ারী জাতীয় পাঠ্যপুস্তক দিবস উদ্যাপন করা হয়। এ দিবসে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্য পুস্তক পৌঁছানো নিশ্চিত করা হয়।