কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৭ এ ১১:৫৩ AM
কন্টেন্ট: পাতা
৫। সিটিজেন চার্টার : ১.বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ : বিদ্যালয় পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী এবং মাদ্রাসা পর্যায়ে ইবতেদায়ী প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্য পুস্তক বিতরণের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠ্যপুস্তকের চহিদা নেওয়া হয়। এ চাহিদা জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে এনসিটিবি-তে প্রেরণ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং এনসিটিবি’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক সরাসরি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা হয়। ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হয়। প্রতি শিক্ষাবর্ষের ১লা জানুয়ারী জাতীয় পাঠ্যপুস্তক দিবস উদ্যাপন করা হয়। এ দিবসে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্য পুস্তক পেঁঁŠছানো নিশ্চিত করা হয়।
২.মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন : প্রতি শিক্ষাবর্ষের ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রকল্পের সহযোগিতা স্বাক্ষরিত হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চূক্তি সম্পাদন বাস্তবায়ন করেন। সম্পাদিত চূক্তি পত্র উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আইইউতে প্রেরণ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ৩১ শে জানুয়ারির মধ্যেশিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১০% ছাত্র এবং ৩০% দরিদ্র ছাত্রী উপবৃত্তির জন্য নীতিমালানুযায়ী নির্বাচন করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরণ করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রাপ্ত তালিকা যাচাই বাচাই করে পিআইইউতে প্রেরণ করেন। পিআইইউ থেকে অনুমোদিত তালিকা বিপরীতে দুই কিস্তিতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। তালিকাভুক্ত ছাত্রীদের প্রতি শিক্ষাবর্ষে দুই কিস্তিতে নির্ধারিত ব্যাংকের মাধ্যমে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। উপবৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্রীদের বিপরীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টিউশন ফি প্রদান করা হয়।
৩.উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রকল্পের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পিআইইউতে প্রেরণ করেন। প্রতি শিক্ষাবর্ষের জুলাই মাসের মধ্যে ভর্তিকৃত ছাত্রী থেকে নীতিমালানুযায়ী উপবৃত্তির জন্য ৪০% ছাত্রী বাছাই করে তাদের আবেদন ফরম(এফএসপি-১)পূরণ পূর্বক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরণ করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রাপ্ত তালিকা যাচাই বাছাই করে আগষ্ট মাসের মধ্যে পিআইইউতে প্রেরণ করেন। প্রেরিত তালিকা পিআইইউ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর প্রতি শিক্ষাবর্ষে দুই কিস্তিতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। তালিকাভুক্ত ছাত্রীদের প্রতি শিক্ষাবর্ষে দুই কিস্তিতে নির্ধারিত ব্যাংকের মাধ্যমে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। উপবৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্রীদের বিপরীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টিউশন ফি প্রদান করা হয়।
৪.কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দাখিল মাদ্রাসার স্বীকৃতি নবায়নের উদ্দেশ্যে পরিদর্শন।
৫.কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দাখিল মাদ্রাসা স্বীকৃতি নবায়নের উদ্দেশ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ।
৬.কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দাখিল মাদ্রাসা তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রেরণ।
৭.বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী সংগ্রহ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামতসহ জেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ।
৮.সকল বেসকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন।
৯.বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তকরণ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ।
১০.বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি এবং অভিভাবক ও শিক্ষক সমিতির সদস্যদের যথাযথ দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা।
১১.মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দাখিল মাদ্রাসার নিয়োগ কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন।
১২.প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন(এসিআর) প্রতিস্বাক্ষর করা।
১৩. উপজেলার সকল সরকারি/বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক/উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাময়িক/বার্ষিক/নির্বাচনী পরীক্ষার অভিন্ন সময়সূচি মহাপরিচালক-এর সময়সূচি অনুসরণপূর্বক প্রনয়ণ।
১৪.পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক অডিট আপত্তির বিষয়ে উধর্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা বাস্তবায়ন।
১৫.সকল পাবলিক পরীক্ষা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন।
১৬.স্কাউট ও গাইড কার্যক্রমে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ।
১৭.সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক গৃহীত সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন মনিটরিং।
১৮. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস ও কর্মসূচি পালনে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন। ১৯. জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া সমিতির উপজেলা সংগঠন পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ এবং উপজেলাভিত্তিক ক্রীড়ানুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন।
২০.উপজেলা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীত ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা।
২১.শ্রেণী পাঠদান উন্নত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।
২২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিদর্শন করে শিক্ষারমানোনণয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রদান।
২৩.শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নকল্পে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত স্কুল ট্যুইনিং একাডেমিক কাউন্সিল নেটওয়ার্ক ও রিসোর্স সেন্টার কার্যক্রম গ্রহণ।
২৪.শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য আন্তঃশিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক বিনিময়,
প্রাতিষ্ঠানিক নিজস্ব ব্যয় নির্বাহ সমম্বয়ে সেমিনার ও ওয়ার্কশপ কার্যক্রম এবং স্ব-মূল্যায়নী কর্মসূচি প্রবর্তন। ২৫.অভিভাবক,শিক্ষক মত বিনিমযের ব্যবস্থা করা।
২৬.বিভিন্ন সময়ে সরকার কর্তৃক গৃহীত উদ্ভাবনী কর্মসূচি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ।
২৭.প্রতি তিন মাস অন্তর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণের সাথে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক মানোন্নয়ন বিষয়ে মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠান এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ।
২৮.উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের সমম্বয়ে ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা এবং পূর্বের সিদ্ধান্তসমূহের অগ্রগতি মূল্যায়নপূর্বক পুনঃসিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মনিটরিং এর মাধ্যমে সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণ। ২৯.বেসরকারি স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা পরিদর্শন ও মনিটরিং করা ।
৩০.প্রতিমাসে কমপক্ষে ০৫টি বেসকারি মাধ্যমিক ও ৫টি দাখিল পর্যায়ের মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ছক অনুযায়ী একাডেমিক পরিদর্শন করা।
৩১. প্রতিমাসে ০৫টি করে বেসকারি নিম্নমাধ্যমিক,৫টি বেসরকারি মাধ্যমিক ও ৫টি দাখিল পর্যায়ের মাদ্রাসা প্রশাসনিক পরিদর্শন।
৩২.একাডেমিক ও প্রশাসনিক পরিদর্শন শেষে প্রণীত প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ।
৩৩.সরকারি অর্থায়নে উন্নয়নের জন্য নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ তদারকি এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে কাজের সমম্বয় সাধন,সুপারিশ প্রণয়ন এবং উক্ত সুপারিশ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট প্রেরণ।
৩৪.উন্নয়নের আওতা বহির্ভূত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থী সংখ্যার নিরিখে প্রয়োজনীয় ভৌত সুবিধাদি পর্যালোচনাপূর্বক ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাসম্পর্কে প্রতিবেদন প্রেরণ।
৩৫.শিক্ষা প্রকৌশল অফিস কর্তৃক উন্নয়ন সংক্রান্ত আর্থিক চুড়ান্ত বিল প্রদানের পূর্বে বিলে প্রতিস্বাক্ষর প্রদান।
৩৬.শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রেরিত অনুদান (বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি,বই,শিক্ষা উপকরণ ইত্যাদি) দ্বারা জিনিসপত্র ক্রয় কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন।
৩৭. প্রধান শিক্ষক,সহকারী প্রধান শিক্ষক ও বিষয়ভিত্তিক সহকারী শিক্ষক- কর্মচারী বা সমমানের পদেকর্মরত যারা প্রশিক্ষণ পায়নি তাদের একটি তালিকা প্রণয়ন ও সংরক্ষণ করা। যেন প্রশিক্ষণের জন্য মনোনয়ন চাওয়ার সাথে সাথে সরবরাহ করা যায় ও প্রশিক্ষণার্থীদের অবহিত করা যায়।
৩৮.সঞ্জীবনী কোর্সে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য একটি তালিকা প্রস্ত্তুত করে রাখা।
৩৯.ক্লাস্টার গঠন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। ৪০.বড় বড় স্কুলে যাতে নিজস্ব প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকে তার ব্যবস্থা নেয়া।
৪১.শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,শিক্ষক,প্রতিষ্ঠান প্রধান সম্পর্কে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা সম্ভব হলে নিষ্পত্তি করা। তদন্ত ও নিষ্পত্তি সম্ভব না হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ।
৪২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ সংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন।
৪৩.স্নাতক (পাশ) ও সমমান পর্যায়ের ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান।